
(১) এরা খুবই অহংকারী।
(২) ইফরিত জ্বিন।
(৩) অধিকাংশই তান্ত্রিক-যাদুকর।
(৪) খুবই চালাক-চতুর।
(৫) সহজে কথা বলেনা, কখনো বোবার মতো ভান ধরে।
(৬) বাসা-বাড়িতে থাকা হলো তাদের উত্তম জায়গা।
(৭) রোগীকে রাতে ও ঘুমের মধ্যে দংশন করে।
(৮) রোগীর রক্ত পান করে।
(৯) রোগীর চুল দিয়ে যাদু করে। এজন্য দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগী রোগীর মাথায় টাক পড়ে যায়।
(১০) রোগীর পেটে কোনোকিছুর নড়াচড়া অনুভব করে। এজন্য রোগী বা রাক্বী তা যাদু মনে করে বের করার ব্যর্থ চেষ্টা করে। মূলতঃ মনসা পেটে থাকে তখন।
(১১) রোগীর চোখ ধীরে-ধীরে সাপের চোখের মতো বানিয়ে দেয়।
(১২) দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগী মনসা জ্বিনের রোগীর হলে মনসা সাধারণ মানুষদের সহজেই বদনযরে আক্রান্ত করে, বিশেষ করে ছোট্ট বাচ্চাদের।
(১৩) রোগীর গায়ের রঙ হঠাৎ করে পাল্টিয়ে দেয়।
(১৪) মনসা জ্বিন সমকামীতে পারদর্শী।
(১৫) ইবাদত, দু‘আ-যিকিরে সহজেই মনোযোগ নষ্ট করে দেয়। রোগীকে ঘুমিয়ে দেয়।
(১৬) রোগীর চোখ দ্বারা মতিভ্রমের সৃষ্টি করে। অর্থাৎ রোগী কোনো নকশা বা কোনো চিত্র দেখতে মনসা সেটাকে সাপের মতো দেখায়।
(১৭) রোগীকে দুই হাত উঁচুতে রাখে। এতে রোগী সাপের ফণার মতো ঘুমায় ও রুক্বইয়্যাহর হার্ড সময়ে দুই হাত দিয়ে ফণা তোলে।
(১৮) এরা কখনো খাদিম হিসাবেও কাজ করে।
(১৯) রোগীকে অশ্লীলতা-নোংরামীর দিকে সবচেয়ে বেশি ধাবিত করে।
(২০) এরা রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাস ঘন করে দেয় এবং রোগীকে সাপের মতো ফোসফাস শব্দ করায়।
জাদূ নষ্ট, স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মিল মহব্বত,অবৈধ প্রেমের বিচ্ছেদ ইত্যাদি জিন/যাদুর চিকিৎসা বা রোকিয়া করে থাকি
উস্তাদ মুহাম্মাদী
নিশ্চিন্তপুর মোহাম্মাদিয়া পাক দরবার শরীফ
পলাশবাড়ী থানা, গাইবান্ধা জেলা, রংপুর বিভাগ
+8801737657329 / +8801991966824 / +8801812805822


