জরুরি তাগিদপত্র ও ঘোষণাপত্র ​তারিখ: ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ (বুধবার) / ১২ই রবিউল আউয়াল বিষয়: আগামী ১২ই রবিউল আউয়াল (২৬শে আগস্ট, ২০২৬, বুধবার) উপলক্ষ্যে নিশ্চিন্তীপুর মোহাম্মদীয়া পাক দরবার শরীফ ও আওতাধীন সকল খানকায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা:) মহা সমারোহে উদযাপন সংক্রান্ত। ​অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানানো যাচ্ছে যে, আগামী ১২ই রবিউল আউয়াল (ইংরেজি ২৬শে আগস্ট, ২০২৬, বুধবার) বিশ্বনবী, রাহমাতুল্লিল আলামীন হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর পবিত্র ধরায় আগমন অর্থাৎ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ)। উক্ত দিনটি বিশ্ব মুসলিমের জন্য এক মহান আনন্দ ও আত্মিক নিয়ামতের দিন। ​এমতাবস্থায়, নিশ্চিন্তীপুর মোহাম্মদীয়া পাক দরবার শরীফ-এর মূল কেন্দ্রসহ আওতাধীন সকল শাখা খানকা শরীফ এবং রুহানি কেন্দ্রসমূহের সম্মানীত খলিফাবৃন্দ, দরবেশগণ ও দায়িত্বে নিয়োজিত খাদেমদের বিশেষভাবে নির্দেশনা প্রদান করা হচ্ছে যে— ​বিশেষ আয়োজন: প্রতিটি খানকায় ১২ই রবিউল আউয়াল (২৬শে আগস্ট, বুধবার) উপলক্ষ্যে খতমে কুরআন, জিকির-আজকার, দরূদ শরীফ পাঠ এবং প্রিয় নবী (সাঃ)-এর সিরাত ও তরিকায়ে মোহাম্মাদীয়ার আদর্শের ওপর গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা মাহফিলের আয়োজন করতে হবে। ​দোয়া ও মিলাদ মাহফিল: বিশ্ববাসীর হেদায়েত, মানবজাতির শান্তি এবং ভক্ত-আশেকানদের রুহানি উন্নতির উদ্দেশ্যে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল পরিচালনা করতে হবে। ​তাবাররুক বিতরণ: সাধ্যমতো স্থানীয় ভক্ত, আশেকান ও সর্বস্তরের মানুষের মাঝে তাবাররুক বিতরণের সুব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ​পরিচ্ছন্নতা ও ভাবগাম্ভীর্য: দিবসটির পবিত্রতা রক্ষার্থে সকল খানকা প্রাঙ্গণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং পূর্ণ রূহানী ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করার তাগিদ দেওয়া হচ্ছে। ​আশা করি, সকল খলিফা ও দরবেশবৃন্দ অত্যন্ত গুরুত্ব ও আন্তরিকতার সাথে নিজ নিজ দায়িত্বে এই কর্মসূচি সফল করবেন এবং সর্বস্তরের আশেকানদের এতে শামিল করবেন। ​আল্লাহ তাআলা আমাদের এই খেদমত কবুল করুন এবং প্রিয়নবীর শাফায়াত নসীব করুন। আমিন। ​আদেশক্রমে, শায়েখ জুলফিকার রহমান বিপ্লব মোহাম্মদী (ওস্তাদ মোহাম্মদী) নিশ্চিন্তীপুর মোহাম্মদীয়া পাক দরবার শরীফ

Menu

উস্তাদ মোহাম্মাদী

১. শারীরিক লক্ষণ:

  • চিকিৎসায় ধরা পড়ে না এমন দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক অসুস্থতা বা ব্যথা।
  • অত্যধিক ক্লান্তি এবং দুর্বলতা অনুভব করা, এমনকি পর্যাপ্ত বিশ্রামের পরেও।
  • অকারণে বুক ধড়ফড় করা বা শ্বাসকষ্ট হওয়া।

২. মানসিক ও আচরণগত লক্ষণ:

  • হঠাৎ করে মেজাজ খিটখিটে হওয়া বা পরিবারের সদস্যদের সাথে অকারণে ঝগড়া করা।
  • তীব্র বিষণ্ণতা, একাকী থাকার ইচ্ছা এবং আত্মহত্যার চিন্তা মাথায় আসা।
  • স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া এবং কাজে মনোযোগ দিতে না পারা।

৩. ঘুমের ব্যাঘাত:

  • ভয়ংকর স্বপ্ন দেখা (যেমন: সাপ, কুকুর, বিচ্ছু বা উঁচু স্থান থেকে পড়ে যাওয়া)।
  • ঘুমের মধ্যে চমকে ওঠা বা মনে হওয়া যেন কেউ বুকের ওপর চেপে বসে আছে (বোবায় ধরা)।
  • অকারণে মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যাওয়া।

৪. বাহ্যিক বা অস্বাভাবিক লক্ষণ:

  • ব্যবসা বা চাকরিতে হঠাৎ করে বড় ধরনের লোকসান হওয়া।
  • বাড়ির পোষা প্রাণী বা গাছের অস্বাভাবিক মৃত্যু।
  • কাপড়ে রক্তের দাগ দেখা যাওয়া বা ঘর থেকে দুর্গন্ধ আসা (যার উৎস খুঁজে পাওয়া যায় না)।
  • ধর্মীয় কাজে অনীহা আসা বা প্রার্থনায় মন না বসা।