৪. তাবিজের প্রকারভেদ ও প্রয়োগ পদ্ধতি
তাবিজ মূলত চার প্রকারের হয়ে থাকে এবং প্রতিটি ব্যবহারের ভিন্ন ভিন্ন নিয়ম রয়েছে:
তাবিজের প্রকারভেদ ও নিয়মাবলী
সাধারণত তাবিজ চার প্রকারের হয়ে থাকে:
১. আতশী (অগ্নি সংক্রান্ত): এই তাবিজগুলো আগুনের নিকটে বা চুলার পাশে রাখা হয়। এগুলো সাধারণত নিদ্রা বন্ধ, জবান বন্ধ ও বিজয় লাভের জন্য ব্যবহৃত হয়।
নিয়ম: পূর্বমুখী হয়ে আগুনের পাশে বসে লিখতে হবে।
২. বাদী (বায়ু সংক্রান্ত): এই তাবিজগুলো উঁচুতে বা গাছের ডালে ঝুলিয়ে রাখা হয় যাতে বাতাসে নড়াচড়া করে। এগুলো প্রেম-ভালোবাসা ও মহব্বত সৃষ্টির জন্য কার্যকর।
নিয়ম: পশ্চিমমুখী হয়ে উঁচু জায়গায় যেখানে বাতাস চলাচল করে সেখানে বসে লিখতে হবে।
৩. আবী (পানি সংক্রান্ত): এই তাবিজগুলো প্রবাহিত নদী, কুয়া বা হাউজের পানিতে ফেলা হয়। এগুলো কয়েদ মুক্তি বা অবাধ্যকে বাধ্য করতে ব্যবহৃত হয়।
নিয়ম: উত্তরমুখী হয়ে নদীর তীরে বা পুকুর পাড়ে বসে লিখতে হবে। পানি না পাওয়া গেলে সামনে একটি পানি ভর্তি পাত্র রাখতে হবে।
৪. খাকী (মাটি সংক্রান্ত): এই তাবিজগুলো রাস্তার মোড়ে, কবরে বা পাহাড়ের নিচে গেড়ে রাখা হয়। এগুলো শত্রু দমন ও ধ্বংসের কাজে ব্যবহৃত হয়।
নিয়ম: দক্ষিণমুখী হয়ে নির্জন ঘরে সুগন্ধি জ্বালিয়ে বসে লিখতে হবে।
৫. বার অনুযায়ী আমলের বিন্যাস
প্রতি মাসের দিনগুলোকে এবং সপ্তাহের বারগুলোকে ভাগ করে আমল করলে দ্রুত ফল পাওয়া যায়:
প্রথম ১০ দিন: রুজি বৃদ্ধি এবং বিজয় লাভের আমল।
দ্বিতীয় ১০ দিন: মহব্বত ও অবাধ্যকে বাধ্য করার আমল।
সোমবার: রুজি বৃদ্ধি ও রোগ মুক্তি।
বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার: ধন-সম্পদ ও উন্নতির আমল।
শনিবার, রবিবার ও মঙ্গলবার: শত্রু ধ্বংস করার আমল।
রবিবার ও বুধবার: জবান বন্ধ করার আমল।
আধ্যাত্মিকতা বা অলৌকিক শক্তি কিভাবে অর্জন করব
আধ্যাত্মিকতা বা রুহানিয়াত অর্জনের জন্য একজন সালিক বা সাধককে প্রধানত চারটি স্তরের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করতে হয়। আপনার কিতাবসমূহের নির্যাস অনুযায়ী তা নিচে সাজানো হলো:
১. আধ্যাত্মিকতা অর্জনের মূল আমলসমূহ
জিকিরে কালব (হৃদয়ের জিকির): কেবল মুখে নয়, বরং অন্তরের অন্তস্থলে আল্লাহর নাম জারি করা। প্রতি নিঃশ্বাসে ‘আল্লাহ’ নামের জিকির অন্তরের ময়লা পরিষ্কার করে আধ্যাত্মিক শক্তির উদয় ঘটায়।
মুরাকাবা (আধ্যাত্মিক ধ্যান): প্রতিদিন নির্জনে বসে চোখ বন্ধ করে মহান আল্লাহর কুদরত এবং তাঁর সান্নিধ্য কল্পনা করা। এটি অন্তরের চোখ বা ‘বসিরত’ খুলে দেওয়ার প্রধান চাবিকাঠি।
তাফাক্কুর (চিন্তা-গবেষণা): আসমান-জমিন এবং নিজের অস্তিত্বের মাঝে আল্লাহর পরিচয় খুঁজে পাওয়া। ‘আল্লাহর পরিচয়’ কিতাব অনুযায়ী, সৃষ্টিজগত দেখে স্রষ্টাকে অনুভব করাই হলো প্রকৃত আধ্যাত্মিকতা।
সালাতুল হাজত ও তাহাজ্জুদ: গভীর রাতে যখন দুনিয়া ঘুমে মগ্ন, তখন মহান আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করা আধ্যাত্মিক উন্নতির গতিকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
২. রুহানি শক্তি বৃদ্ধির অপরিহার্য শর্তাবলী
আধ্যাত্মিকতা অর্জনের পথে কিছু শর্ত পালন করা বাধ্যতামূলক, যা পালন না করলে আমলের রুহানিয়ত প্রকাশ পায় না:
নফস বা কুপ্রবৃত্তি দমন: ক্রোধ, লোভ, অহংকার এবং গীবত থেকে অন্তরকে সম্পূর্ণ মুক্ত রাখা। নফস যত দুর্বল হবে, রুহ বা আত্মা তত শক্তিশালী হবে।
হালাল রিজিক: আধ্যাত্মিকতার প্রথম শর্ত হলো পেট পবিত্র রাখা। হারাম এক লোকমা খাবারও ৪০ দিনের ইবাদতের নূর নষ্ট করে দেয়।
অল্প আহার ও অল্প কথা: প্রয়োজন ছাড়া কথা না বলা এবং উদরপূর্তি করে না খাওয়া আধ্যাত্মিক সাধকদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
নির্ভরযোগ্য ওস্তাদ বা পীরের সাহচর্য: আধ্যাত্মিকতা অর্জনের পথ অত্যন্ত সূক্ষ্ম। তাই একজন কামেল মুকাম্মিল ওস্তাদের দিকনির্দেশনা ও ‘ইজাজত’ (অনুমতি) ছাড়া এই পথে অগ্রসর হওয়া কঠিন।
৩. আধ্যাত্মিকতা অর্জনের ফজিলত ও প্রাপ্তি
মারেফাত বা খোদা পরিচয়: সাধক যখন আধ্যাত্মিকতার উচ্চস্তরে পৌঁছান, তখন তিনি প্রতিটি সৃষ্টি ও ঘটনার পেছনে আল্লাহর হুকুম ও কুদরত দেখতে পান।
ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় বা কাশফ জাগ্রত হওয়া: আধ্যাত্মিকতা অর্জনের ফলে সাধকের অন্তর্দৃষ্টি খুলে যায়, যার ফলে তিনি অনেক গোপন ও গায়েবী ইশারা বুঝতে সক্ষম হন।
মকবুল দোয়া: রুহানি শক্তি সম্পন্ন ব্যক্তির মুখ থেকে বের হওয়া কথা এবং দোয়া আল্লাহর দরবারে অত্যন্ত দ্রুত কবুল হয়।
চারিত্রিক মাধুর্য: প্রকৃত আধ্যাত্মিক ব্যক্তি বিনয়ী, ধৈর্যশীল এবং সৃষ্টির প্রতি দয়াবান হন, যা তাকে মানুষের নিকট প্রিয় করে তোলে।
পীর-মুরিদী ও এজাজতের হাকিকত
তরিকতের ভাষায়, পীর হলেন একজন আধ্যাত্মিক চিকিৎসক যিনি মুরিদের অন্তরের রোগ ব্যাধি নিরাময় করে তাকে আল্লাহর পথে পরিচালিত করেন।
১. পীর-মুরিদীর গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা
আধ্যাত্মিক অভিভাবকত্ব: আধ্যাত্মিকতা অর্জনের পথ অত্যন্ত দুর্গম এবং শয়তানি ধোঁকায় পরিপূর্ণ; তাই এই পথে একজন কামেল পীর বা ওস্তাদের সরাসরি তত্ত্বাবধান মুরিদকে পথভ্রষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করে।
অন্তরের সংশোধন: একজন পীর তার আধ্যাত্মিক নজরের মাধ্যমে মুরিদের নফসের দোষ-ত্রুটি শনাক্ত করেন এবং তা সংশোধনের জন্য নির্দিষ্ট জিকির ও আমল প্রদান করেন।
আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ: পীর বা ওস্তাদের উসিলায় মুরিদ দ্রুত মারেফাত বা আল্লাহর পরিচয় লাভ করতে সক্ষম হয়, কারণ পীর নিজেই সেই পথ অতিক্রম করে আল্লাহর নৈকট্য প্রাপ্ত হয়েছেন।
২. এজাজত বা অনুমতির তাৎপর্য
আধ্যাত্মিক আমলের জগতে ‘এজাজত’ হলো একটি আধ্যাত্মিক শক্তির চাবিকাঠি।
আমলের কার্যকারিতা: কামেল ওস্তাদের অনুমতি বা এজাজত ছাড়া কোনো শক্তিশালী আমল বা সাধনায় সফল হওয়া প্রায় অসম্ভব। এজাজত থাকলে আমলের রুহানি শক্তি দ্রুত প্রকাশ পায়।
নিরাপত্তা: মোয়াক্কিল, জিন বা পরি সাধনার মতো সংবেদনশীল আমলগুলোতে ওস্তাদের এজাজত ও দোয়া আমলকারীর জন্য সুরক্ষা কবচ হিসেবে কাজ করে।
সিলসিলার সংযোগ: এজাজত লাভের অর্থ হলো—রাসূলুল্লাহ (সা.) থেকে শুরু করে বর্তমান পীর পর্যন্ত যে আধ্যাত্মিক ধারা বা সিলসিলা চলে আসছে, সেই ধারার নূরের সাথে আমলকারীর সংযোগ স্থাপিত হওয়া।
৩. পীর-মুরিদীর অপরিহার্য শর্তাবলী
কামেল পীরের গুণাবলী: পীরকে অবশ্যই শরীয়তের অনুসারী, পরহেজগার এবং ইলমে তাসাউফে পারদর্শী হতে হবে।
পূর্ণ আনুগত্য (এত্তেবা): মুরিদকে তার পীরের নির্দেশনাবলী বিনাবাক্যে মেনে চলতে হবে। পীরের প্রতি অগাধ বিশ্বাস ও মহব্বত আধ্যাত্মিকতা অর্জনের মূল চাবিকাঠি।
গোপনীয়তা: পীর যদি কোনো বিশেষ জিকির বা রুহানি অবস্থা সম্পর্কে গোপন রাখতে বলেন, তবে তা কারো কাছে প্রকাশ করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
৪. পীর-মুরিদীর ফজিলত
সহজ পথে কামিয়াবি: যারা পীরের হাতে হাত দিয়ে তরিকতের পথে চলেন, তাদের জন্য আখেরাতের কঠিন সফর সহজ হয়ে যায়।
রুহানি শক্তি অর্জন: পীরের নেক নজর ও দোয়ার বরকতে মুরিদের রুহ বা আত্মা শক্তিশালী হয় এবং সে দুনিয়া ও আখেরাতের যাবতীয় মুশকিল আসানে সক্ষম হয়।
পবিত্র আখলাক: পীরের সাহচর্যে থাকলে মুরিদের চরিত্রে ধৈর্য, বিনয় এবং শুকরিয়া বা কৃতজ্ঞতাবোধের মতো গুণাবলী সৃষ্টি হয়।
তদবীরের কাজ করার দিন ও সময় (তারিখ অনুযায়ী) /কোন দিন কোন তদবির করতে হবে।
১ তারিখ: বুরুজ- শারতিন, মঞ্জিল- হাখল, প্রকার- আতশি, মোয়াক্কেল- আজরাইল (শত্রুতা সৃষ্টি)
২ তারিখ: বুরুজ- বাতিন, মঞ্জিল- ছাতার, প্রকার- খাকি, মোয়াক্কেল- আজরাইল (ভালোবাসা ও রোগ)
৩ তারিখ: বুরুজ- ছরিয়াত, মঞ্জিল- ছাতার, প্রকার- খাকি, মোয়াক্কেল- আজরাইল (ভালোবাসা ও রোগ)
৪ তারিখ: বুরুজ- দরবান, মঞ্জিল- জাওয়া, প্রকার- বাদি, মোয়াক্কেল- ইসরাফিল (কোন কাজ করবে না)
৫ তারিখ: বুরুজ- হাকআহ, মঞ্জিল- সারাতান, প্রকার- আবি, মোয়াক্কেল- ফাহফাইল (কোন কাজ করা যাবে না)
৬ তারিখ: বুরুজ- হানআহ, মঞ্জিল- জাওয়া, প্রকার- বাদি, মোয়াক্কেল- ইসরাফিল (ভালোবাসা ও ধনসম্পদ)
৭ তারিখ: বুরুজ- আয়ারার, মঞ্জিল- সারাতান, প্রকার- আবি, মোয়াক্কেল- ফাহফাইল (ভালোবাসা ও তেলেসমাতির)
৮ তারিখ: বুরুজ- নাথা, মঞ্জিল- আসাদ সারতন, প্রকার- আতশি, মোয়াক্কেল- সোরাতিল (শত্রুতা ও বিচ্ছেদ)
৯ তারিখ: বুরুজ- জায়হাহ, মঞ্জিল- জান্দি, প্রকার- খাকি, মোয়াক্কেল- জেবরাইল (কোন কাজ করা যাবে না)
১০ তারিখ: বুরুজ- হায়হাহ, মঞ্জিল- জান্দি, প্রকার- খাকি, মোয়াক্কেল- জেবরাইল (ভালোবাসা/রুজি বৃদ্ধি)
১১ তারিখ: বুরুজ- যোহরা, মঞ্জিল- সাধল, প্রকার- খাকি, মোয়াক্কেল- সাহকিল (সব কাজ করা যাবে)
১২ তারিখ: বুরুজ- তারফাহ, মঞ্জিল- আসাদ, প্রকার- আতশি, মোয়াক্কেল- সারাতিল (শত্রুর ধ্বংস ও বিচ্ছেদ)
১৩ তারিখ: বুরুজ- আওয়া, মঞ্জিল- আসাদ, প্রকার- আতশি, মোয়াক্কেল- সারাতিল (শত্রুতা ও বিচ্ছেদ)
১৪ তারিখ: বুরুজ- সামাক, মঞ্জিল- আসাদ, প্রকার- আতশি, মোয়াক্কেল- সারাতিল (শত্রুতা ও বিচ্ছেদ)
১৫ তারিখ: বুরুজ- গোফরাহ, মঞ্জিল- মিজান, প্রকার- বাদি, মোয়াক্কেল- ইসরাফিল (বশীকরণ ও তেলেসমাতি)
১৬ তারিখ: বুরুজ- যবানা, মঞ্জিল- মিজান, প্রকার- বাদি, মোয়াক্কেল- ইসরাফিল (বশীকরণ ও শত্রুতা)
১৭ তারিখ: বুরুজ- আকলিল, মঞ্জিল- আকবর, প্রকার- আবি, মোয়াক্কেল- সারসাইল (শত্রুর ধ্বংস)
১৮ তারিখ: বুরুজ- কলব, মঞ্জিল- কাওস, প্রকার- আতশি, মোয়াক্কেল- সারবতােইল (বশীকরণ ও রুজি)
১৯ তারিখ: বুরুজ- শোলাহ, মঞ্জিল- কাওস, প্রকার- আতশি, মোয়াক্কেল- সারবতােইল (কাজ নিষেধ)
২০ তারিখ: বুরুজ- নায়েম, মঞ্জিল- জান্দি, প্রকার- খাকি, মোয়াক্কেল- সমকাইল (ভালোবাসা ও বশীকরণ)
২১ তারিখ: বুরুজ- বাদল, মঞ্জিল- জান্দি, প্রকার- খাকি, মোয়াক্কেল- সমকাইল (কাজ নিষেধ)
২২ তারিখ: বুরুজ- যাবেহ, মঞ্জিল- দালবু, প্রকার- বাদি, মোয়াক্কেল- মিকরাইল (কাজ নিষেধ)
২৩ তারিখ: বুরুজ- বালাহ, মঞ্জিল- দালবু, প্রকার- বাদি, মোয়াক্কেল- মিকরাইল (শত্রুতা সৃষ্টি)
২৪ তারিখ: বুরুজ- সাইদ, মঞ্জিল- হুত, প্রকার- আবি, মোয়াক্কেল- কাসরাইল (শুভ- সব কাজ হবে)
২৫ তারিখ: বুরুজ- আজিনাহ, মঞ্জিল- হুত, প্রকার- আবি, মোয়াক্কেল- কাসরাইল (শত্রুতা সৃষ্টি)
২৬ তারিখ: বুরুজ- মুকাদস, মঞ্জিল- হুত, প্রকার- আবি, মোয়াক্কেল- কাসরাইল (ভালোবাসা ও তেলেসমাতি)
২৭ তারিখ: বুরুজ- মুয়াখরাও, মঞ্জিল- হাখল, প্রকার- আতশি, মোয়াক্কেল- সারতিন (কাজ নিষেধ)
২৮ তারিখ: বুরুজ- রাশা, মঞ্জিল- হাখল, প্রকার- আতশি, মোয়াক্কেল- সারতিন (ভালোবাসা ও বশীকরণ)
প্রতি দিন/রাতের তদবীরের সময়সূচী/ কোন সময়ে কোন তদবির করতে হয়।
শনিবার: ৬-৭ (শুভ), ৭-৮ (শুভ), ৮-৯ (শত্রুতা), ৯-১০ (শুভ), ১০-১১ (আয় বৃদ্ধি), ১১-১২ (শুভ), ১২-১ (অশুভ), ১-২ (বশীকরণ), ২-৩ (রোগ), ৩-৪ (বশীকরণ), ৪-৫ (বশীকরণ), ৫-৬ (মহব্বত)
রবিবার: ৬-৭ (শুভ), ৭-৮ (অশুভ), ৮-৯ (ভালোবাসা), ৯-১০ (অশুভ), ১০-১১ (বিচ্ছেদ), ১১-১২ (শুভ), ১২-১ (অশুভ), ১-২ (শুভ), ২-৩ (অশুভ), ৩-৪ (ভালোবাসা), ৪-৫ (রোগ), ৫-৬ (অশুভ)
সোমবার: ৬-৭ (জাদু), ৭-৮ (শুভ), ৮-৯ (মহব্বত), ৯-১০ (ধ্বংস), ১০-১১ (বাধ্যকরণ), ১১-১২ (জাদুকাজ), ১২-১ (বশীকরণ), ১-২ (মহব্বত), ২-৩ (ধ্বংস), ৩-৪ (শুভ), ৪-৫ (বিচ্ছেদ), ৫-৬ (ভালোবাসা)
মঙ্গলবার: ৬-৭ (সম্মোহন), ৭-৮ (বশীকরণ), ৮-৯ (উচ্চাটন), ৯-১০ (মারণ), ১০-১১ (অশুভ), ১১-১২ (শুভ), ১২-১ (অশুভ), ১-২ (ভালোবাসা), ২-৩ (উচ্চাটন), ৩-৪ (সম্মোহন), ৪-৫ (রোগ), ৫-৬ (অশুভ)
বুধবার: ৬-৭ (মারণ), ৭-৮ (বশীকরণ), ৮-৯ (মারণ), ৯-১০ (শুভ), ১০-১১ (শুভ), ১১-১২ (শুভ), ১২-১ (বিচ্ছেদ), ১-২ (মারণ), ২-৩ (উচ্চাটন), ৩-৪ (রোগ), ৪-৫ (রোগ), ৫-৬ (মহব্বত)
বৃহস্পতি: ৬-৭ (ভালোবাসা), ৭-৮ (অশুভ), ৮-৯ (ভালোবাসা), ৯-১০ (বাধ্যকরণ), ১০-১১ (শুভ), ১১-১২ (শুভ), ১২-১ (খুব শুভ), ১-২ (খুব শুভ), ২-৩ (শুভ), ৩-৪ (ভালোবাসা), ৪-৫ (ভালোবাসা), ৫-৬ (ভালোবাসা) শুক্রবার: ৬-৭ (ভালোবাসা), ৭-৮ (জ্বীন), ৮-৯ (অশুভ), ৯-১০ (বানকাটা), ১০-১১ (মহব্বত), ১১-১২ (ভালোবাসা), ১২-১ (বশীকরণ), ১-২ (বিচ্ছেদ), ২-৩ (অশুভ), ৩-৪ (অশুভ), ৪-৫ (বশীকরণ), ৫-৬ (সম্মোহন)

