১ নং তদবির
মস্তকের তীব্র দপদপানি ও দীর্ঘদিনের পুরাতন শিরঃপীড়া নাশক আমল
সপ্তম খন্ড
১ নং তদবির
মস্তকের তীব্র দপদপানি ও দীর্ঘদিনের পুরাতন শিরঃপীড়া নাশক আমল
তদবীরের বিবরণ:
যাহাদের মস্তকে সর্বদা ভার বোধ হয় অথবা রোদে বাহির হইলে মাথার শিরায় তীব্র টান লাগে, তাহাদের জন্য এই আমলটি অত্যন্ত কার্যকর। এই আমলের আধ্যাত্মিক শক্তি রোগীর মস্তকের রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক করে এবং যন্ত্রণার অবসান ঘটায়।
বিশেষ মন্ত্র (উপমন্ত্র):
“উত্তাল সাগরের ঢেউ যেমন কিনারায় শান্ত হয়,
আমার এই বাক্যের তেজে মস্তকের বিষ তেমন ক্ষয়।
শুকনো পাতার দহন যেমন ঝরনা ধারায় জুড়ায়,
রোগীর শিরের অগ্নি-জ্বালা শীতল মেঘে উড়ায়।
আকাশের নীলিমা যেমন চোখের জ্যোতি ফিরায়,
মস্তকের এই সকল ব্যাধি অসীম শূন্যে হারায়।
দোহাই আল্লাহর দোহাই আল্লার দোহাই আল্লাহর। “
কোরআন থেকে দোয়া (বাংলা উচ্চারণ):
”ওয়া ইযা- বাত্বাশতুম বাত্বাশতুম জাব্বা-রীন।”
(সূরা আশ-শুয়ারা, আয়াত: ১৩০)
অর্থ: এবং যখন তোমরা আঘাত হানো, তখন প্রবল পরাক্রান্তদের মতো আঘাত হানো। (এই দোয়াটি ব্যথার স্থানে হাত রাখিয়া পাঠ করিতে হয়)।
মন্ত্র ও দোয়া সিদ্ধি করার নিয়ম
জপের সংখ্যা: সিদ্ধি লাভের জন্য উপমন্ত্রটি এবং কোরআনী দোয়াটি পৃথক পৃথকভাবে ১০০১ বার করিয়া জপ করিতে হইবে।
বসিবার স্থান: গভীর রাতে যখন চারিদিক নিস্তব্ধ থাকে, তখন বাড়ির ছাদে অথবা জনশূন্য কোনো খোলা ময়দানে আকাশের দিকে মুখ করিয়া বসিতে হইবে।
সময়কাল: এই সিদ্ধির আমলটি একাধারে ৩ দিন জারি রাখিলে আমলটি পূর্ণরূপে সক্রিয় হইবে। যাকাত: আমল শেষে সাতজন এতিম বা মিসকিনকে পেট ভরিয়া সুগন্ধি চাউলের অন্ন (পোলাও বা পায়েস) ভোজন করাইবেন। ইহাকেই এই আমলের পূর্ণ যাকাত হিসেবে গণ্য করা হইবে।
প্রয়োগ পদ্ধতিঃ মাথায় হাত রেখে দোয়াটি বা মন্ত্রটি সাতবার পাঠ করে ফু দেন। সরিষার তেলে ফু দিয়ে ব্যবহার করুন ২১ দিন।ইনশাআল্লাহ সুস্থতা লাভ করবেন।

