২ নং তদবিরঃদাঁতের তীব্র যন্ত্রণা ও মাড়ির ক্ষত নাশক ‘বজ্র-দশন’ আমল
তদবীরের বিবরণ:
দাঁতের গোড়া দিয়া রক্ত পড়া, মাড়ি ফোলা অথবা হাড় কাঁপানো তীব্র যন্ত্রণায় যাহারা ভুগিতেছেন, তাহাদের জন্য এই আমলটি অত্যন্ত দ্রুত ফলদায়ক। এই মন্ত্র ও দোয়ার বরকতে দাঁতের স্নায়ুর উত্তেজনা প্রশমিত হয় এবং দীর্ঘস্থায়ী আরাম লাভ হয়।
বিশেষ মন্ত্র (উপমন্ত্র):
”পাথরের বুকে যেমন হীরা রয় অটল ও স্থির,
আমার এই বাক্যের তেজে দাঁতের বিষ হোক অস্থির।
মরুর বালু যেমন শীতল হয় রাতের হিমেল হাওয়ায়,
মাড়ির সকল জ্বালা-যন্ত্রণা দূর হোক নূরের ছাওয়ায়।
বজ্র যেমন চূর্ণ করে কঠিন গিরিশৃঙ্গ তায়,
দাঁতের যত কাল বিষ— অসীম আঁধারে হারায়।”
(বি.দ্র. প্রয়োগকালে শেষে তিনবার দোহাই আল্লাহ পাঠ করিবেন)
কোরআন থেকে দোয়া (বাংলা উচ্চারণ):
”ওয়া লাহূ মা- সাকানা ফিল্লাইলি ওয়ান্নাহা-রি ওয়া হুওয়াস সামীউল আলীম।”
(সূরা আল-আনআম, আয়াত: ১৩)
সিদ্ধি লাভ ও যাকাত আদায় পদ্ধতি
জপের সংখ্যা: সিদ্ধি লাভের জন্য উপমন্ত্রটি এবং কোরআনী দোয়াটি পৃথক পৃথকভাবে ১০০১ বার করিয়া জপ করিতে হইবে।
বসিবার স্থান: গভীর রাতে বাড়ির ছাদে অথবা জনশূন্য কোনো খোলা ময়দানে আকাশের নক্ষত্রের দিকে চাহিয়া ক্বিবলামুখী হইয়া বসিতে হইবে।
সময়কাল: এই সিদ্ধির আমলটি একাধারে ৩ দিন জারি রাখিলে আমলটি পূর্ণরূপে সক্রিয় হইবে।
যাকাত আদায়: আমল শেষে সাতজন মিসকিন বা এতিম শিশুকে পেট ভরিয়া মিষ্টি জাতীয় খাবার (যেমন: জিলাপি বা পায়েস) ভোজন করাইবেন। ইহাকেই পূর্ণ যাকাত গণ্য করা হইবে।
প্রয়োগ পদ্ধতি
১. ব্যথার স্থানে শাহাদাত আঙুল রাখিয়া উপমন্ত্রটি অথবা দোয়াটি সাতবার পাঠ করিয়া রোগীর দাঁতে ফুঁ দিবেন।
২. সামান্য লবণের ওপর সাতবার পাঠ করিয়া ফুঁ দিবেন এবং সেই লবণ দিয়া দাঁত মাজিতে বলিবেন। ৩. ইনশাআল্লাহ, আল্লাহর রহমতে দাঁতের যন্ত্রণা হইতে রোগী মুহূর্তের মধ্যে মুক্তি লাভ করিবেন।

